এই পাতাটি আমার নিজের লিখা নয় বিভিন্ন স্থান হতে সঙ্কলিত.........। মামুন
আপনি কি দাঁতের ব্যথায় অস্থির? হজমের গোলমাল? এরকম সমস্যা সমাধানে হাতের কাছে মসলা রাখুন।
রসুন : মিনারালসের মিনি স্টোর হাউস। ছোট্ট এক কোয়া রসুন অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিসেপটিক হিসাবে কাজ করে। রসুনের সালফার শরীরের নানা হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে। শুধু কাঁচা রসুনই নয়, রান্নায় ব্যবহৃত রসুনও শরীরের জন্য উপকারী। ম্যাঙ্গানিজ, কপার, জিঙ্ক, অ্যালুমিনিয়াম, ক্লোরিন, সেলেমিনিয়াম_ সবই আছে রসুনে।
খাদ্যগুণ : রসুনে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সেলেনিয়াম থাকে। কোষ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে। ট্রাইগি্লসারাইড আর্টারি পরিষ্কার রেখে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায়। অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বলে রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না। লিম্ফেটিক সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে রক্ত পরিষ্কার রাখে।
উপকারিতা : ক্যান্সার, হৃদরোগ প্রতিরোধে কিছুটা সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লিভারকে রক্ষা করে। ডায়াবেটিস কমায়। অ্যাকনের জন্য রসুন খুব উপকারী। অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে রসুন ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক সারিয়ে তোলে। ত্বকের পিএইচ লেভেলও বজায় রাখে। রসুনের তেল চুল পড়া বন্ধ করে।
অপকারিতা : কাঁচা রসুন অনেক সময়ই পেটের জন্য উপকারী নয়।
আদা
আদার ঝাঁজেই উপকারিতা। আদায় আছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল, ভিটামিন, পটাশিয়াম, ফসফরাস।
খাদ্যগুণ : আদায় ভিটামিন-সি থাকায় সর্দি-কাশি প্রতিরোধ করে। রাইবোফ্লেভিন পেট পরিষ্কার রাখে।
উপকারিতা : আদা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। সর্দি-কাশি কমায়। হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিস কমায়। বাতের ব্যথা কমায়। হজমে সাহায্য করে।
অপকারিতা : জন্ডিস এবং আলসারে আদা খাওয়া উচিত নয়।
মাছের তেলে
মাছ খেতে হবে প্রতি বেলায়। পুষ্টির চাহিদা তো মিটবেই মাথা ব্যথা প্রতিরোধেও কার্যকর মাছ। মাছের তেলে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এটিই মূলত মাথা ব্যথার বিরুদ্ধে কাজ করে। মাছের তেলের ক্যাপসুল পাওয়া যায় বাজারে। চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়ম করে খেতে পারেন ক্যাপসুলটি।
আপেলে
রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই যারা মাথা ব্যথায় ভোগেন তাদের সমাধান আপেলে। আপেলের বাইরের আস্তরন ফেলে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে হবে সকালে খালি পেটে। এভাবে চলবে টানা দুই সপ্তাহ।
আদা
আদার উপাদানগুলো থ্রম্বোক্সিনকে কাজে লাগিয়ে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। যেটা মাইগ্রেইনের ব্যথা প্রতিরোধে খুব কার্যকর। এ ছাড়া আদায় বমিভাব দূর হয়, দূর হয় মাথা ব্যথা।
বসার ভঙ্গিতে
দেহকে বাকিয়ে বা হেলে দীর্ঘক্ষণ বসলে স্নায়ুকোষ উদ্দীপ্ত হয়। এ থেকে তৈরি হতে পারে মাথা ব্যথার মতো অনাবশ্যক সব রোগ। তাই বসতে হবে সোজা হয়ে। দাঁড়াতে হবে আরও সোজা হয়ে।
সুত্র : প্রথম আলো
এই ঠান্ডা মৌসুমে ছোট বাচ্চাদের তুলসী পাতা খাওয়ালে কৃমি দূর হবে এবং মাংসপেশি ও হাড় হবে শক্তিশালী। বহুবিধ ব্যবহারের জন্য তুলসী পাতাকে বলা হয় ‘কুইন অব হার্ব’ বা ওষধি গাছের রানি। এই ওষধি পাতা শুধু শীতকাল নয়, ১২ মাসই ব্যবহারের উপযোগী। তুলসীগাছের বাতাসও যথেষ্ট উপকারী। তাই সম্ভব হলে বাসার ব্যালকনিতে বা ফুলের টবে অন্তত একটি তুলসীগাছ লাগান।
এ্যালার্জি শব্দটা যদিও আজ আর কারও কাছে নতুন কিছু নয়, তবুও এটা সম্পর্কে সার্বিক ধারণা থাকা সবার জন্য অতীব জরুরী। কেননা শ্বাসকষ্ট, একজিমাসহ বহু চর্মরোগের জন্য দায়ী এই এ্যালার্জি।
ধুলাবালি, ফুলের রেণু, নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও ওষুধ মানুষের শরীরে প্রদাহজনিত যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে সাধারণভাবে তাকেই আমরা এ্যালার্জি বলে জানি। এ্যালার্জি শব্দটা অষষড়ং ও ঊৎমড়ং নামক দুটি গ্রিক শব্দের সমন্বয়ে তৈরি, সম্মিলিতভাবে যার অর্থ দাঁড়ায় পরিবর্তিত প্রতিক্রিয়া।
যা অ্যালার্জি তৈরি করে
মাইট (এমন কিছু যা পুরনো কাপড়ে জন্মায়), সিগারেটের ধোঁয়া হ কুকুর, বিড়ালের পশম, প্রস্রাব ও লালা হভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, ফুলের রেণু। এছাড়া বিশেষ কোন খাবার, ঘরের ধুলাবালি, হরমোন ইনজেকশন, তুলা বা পাটের আঁশ, চুলের কলপ, রং, পোকা মাকড়ের হুল, স্যাঁতসেঁতে কার্পেট ইত্যাদি। তবে মনে রাখবেন এ সবে সকলেরই যে এ্যালার্জি হবে তা কিন্তু নয়। কিছু কিছু জিনিসে কারও কারও অ্যালার্জি হতে পারে।
অ্যালার্জিতে আক্রানত্ম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ
শরীরের যে সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সহজে এ্যালার্জিতে আক্রানত্ম হয় সেগুলোর নাম ও উপসর্গ নিম্নরূপ_
আক্রানত্ম অঙ্গউপসর্গনাকনাসারন্ধ্রের ঝিলিস্ন বা আবরণ ফুলে চোখচোখ লাল হওয়া এবং চুলকানোকোনকান বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্যথা করা, কানে কম শোনাত্বকপ্রদাহজনিত চুলকানি বা একজিমা, হাইভসফুসফুসশ্বাস প্রশ্বাস দ্রম্নত হওয়া, শোঁ শোঁ শব্দ করা
এ্যালার্জির ঝুঁকি ও কারণ
শরীরে এ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার যে অস্বাভাবিক প্রবণতা তার প্রকৃত কারণ ব্যাখ্যা করতে বিজ্ঞানীরা নানা ধরনের ভিত্তির ওপর জোর দিয়ে থাকেন। যেমন_
বংশগত কারণ : দেখা যায় এ্যালার্জি আক্রানত্ম বাবা-মার সনত্মানেরাও এ্যালার্জিতে আক্রানত্ম হয় এবং তাদের এ্যালার্জিতে আক্রানত্ম হওয়ার প্রবণতা নন-এ্যালার্জিক বাবা-মার এ্যালার্জিক সনত্মান অপেৰা অনেক বেশি প্রকট। বাবা-মা কেউ এ্যালার্জিতে আক্রানত্ম না থাকলেও সনত্মানের মাঝে ১৫% আশঙ্কা থেকে যায়। বাবা-মা কেউ যদি এ্যালার্জিতে আক্রানত্ম থাকে তবে সনত্মানের ৩০% আশঙ্কা থাকে কিন্তু উভয়েই আক্রানত্ম থাকলে তা বেড়ে ৬০%-এর অধিক দাঁড়ায়।
পরিবেশগত কারণ : ঋতুজনিত কারণে (বিশেষ করে শীতকালে) বাতাসে যখন ফুলের রেণু বেশি থাকে তখন এ্যালার্জির প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। শিল্পোন্নত দেশগুলোতে বাতাস দূষণের পরিমাণ বেশি হওয়াতে সেখানে এ্যালার্জির প্রকোপও বেশি।
এ্যালার্জিজনিত সমস্যা ও তার উপসর্গ
এ্যালার্জিক রাইনিটিস : সাধারণভাবে যেটা হে ফিভার (যবু ভবাবৎ) নামে পরিচিত। এ ধরনের এ্যালার্জিতে রোগীর অসম্ভব রকম হাঁচি হয়। এ জন্য এর নাম এ্যালার্জিজনিত হাঁচি। বাতাসে অত্যধিক মাত্রায় ফুলের রেণু এর প্রধান কারণ। এ ছাড়াও ধূলিকণা, কুকুর ও বিড়ালের লোম, ছত্রাকের কারণেও এটা হতে পারে। নিশ্বাসের সঙ্গে এই জাতীয় জীবাণু যখন নাকের অভ্যনত্মরে প্রবেশ করে, প্রদাহজনিত কারণে অভ্যনত্মরীণ টিসু্যগুলো নানা ধরনের উপসর্গ প্রকাশ করে। নাক সংলগ্ন কান, সাইনাস এবং গলা ও এই কারণে আক্রানত্ম হয়।
উপসর্গ
(ক) নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরা, (খ) নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, (গ) নাক চুলকানো, (ঘ) অসম্ভব রকম হাঁচি, (ঙ) কান ও গলা চুলকানো, খুসখুস করা ইত্যাদি।
এ্যালার্জিক এ্যাজমা বা হাঁপানি : কষ্টদায়ক এই এ্যাজমার বিভিন্ন কারণের মধ্যে এ্যালার্জি অন্যতম। শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত এ সমস্যায় ফুসফুল ও এর অভ্যনত্মরভাগে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। এই প্রদাহ ফুসফুসে বাতাস প্রবেশের পথকে সঙ্কীর্ণ করে। ফলে বাতাস ঢুকতে ও বেরম্নতে সমস্যার সৃষ্টি হয়।
ভিটামিন সি-এর উৎস : কাঁচা মরিচ, বাঁধাকপি, আলু, লেবু, বাতাবী লেবু, কমলা লেবু, টমেটো, আঙ্গুর, পেয়ারা, কামরাঙ্গাসহ বিভিন্ন টক জাতীয় ফলে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
ভিটামিন এ এবং জিংক : এরা উভয়েই এ্যালার্জি উপশমে সহায়ক যা পাকস্থলীসহ অন্যান্য প্রদাহজনিত স্থানের প্রদাহ কমায়।
ভিটামিন এ-এর উৎস : বাঁধাকপি, ব্রকলি, লেটুস পাতা, পালংশাক, টমেটো, মরটশুঁটি, গাজর, কুমড়া, মিষ্টিআলু, ধনিয়াপাতা, পীচ, কলা, পেঁপে, তরমুজ, ভুট্টা ইত্যাদি।
জিঙ্কের উৎস : জিঙ্কের সবচেয়ে সমৃদ্ধ উৎস হলো ওয়স্টার মাশরম্নম যা এখন আমাদের দেশের সর্বত্রই পাওয়া যায়। অন্যান্য যে সব খাদ্যে জিঙ্ক বিদ্যমান সেগুলো হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ, শিম বীজ, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ ইত্যাদি। প্রাণিজ জিঙ্কের জন্য ভাল উৎস হলো মুরগির মাংস। এ ছাড়া শামুক, ঝিনুক ইত্যাদিতেও প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক পাওয়া যায়।
ক্যারোটিনয়েড : ক্যারোটিনয়েড হলো উদ্ভিদের মধ্যস্থিত রঞ্জক বা রঙিন পদার্থ। এ সবের মধ্যে ক্যারোটিন, বিটা ক্যারোটিন, লুটিন, লাইকোপেন, ক্রিপটোজেন্থিন এবং জিজেন্থিন আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এগুলো এ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার বিপরীতে কাজ করে।
উৎস : সবুজ, হলুদ অর্থাৎ রঙিন শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিনয়েড পাওয়া যায়। যেমন গাজর, মিষ্টি কুমড়া, হলুদ, পালংশাক, ডাঁটা শাক ইত্যাদি।
ট্রিপটোফেন সমৃদ্ধ খাবার যা সেরোটোনিনে পরিবর্তিত হয় তা এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন : গরম্নর মাংস, চিংড়ি মাছ ইত্যাদি।
অন্যান্য
ঋষি মাশরম্নম : এই মাশরম্নমের এ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া কমানোর এক অসাধারণ ৰমতা আছে। এটা হিস্টামিন তৈরিতে বাধা প্রদান করে ও প্রদাহ কমায়।
অননত্মমূল : এই গাছের পাতায় ও শিকড়ে টাইলোপিরিন নামে যে উপাদান থাকে তা এ্যালার্জিজনিত শ্বাসনালীর প্রদাহসহ এ্যাজমার প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
কুঁচিলা : এ্যালার্জি থেকে রৰা পাবার এক অনন্য নাম কুঁচিলা। এই গাছে স্টিকনিন, ব্রম্নসিনসহ নানা মূল্যবান উপাদান তৈরি হয়।
কোল্ড এ্যালার্জি থেকে রৰার উপায়
একটু শীতেই অনেকে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথায় ভোগেন, যা কোল্ড এ্যালার্জি নামে পরিচিত। এটা ঘাবড়াবার মতো তেমন কিছু নয় এবং কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই এ থেকে রৰা পাওয়া সম্ভব। যেমন_
হ বেশি করে পানি পান করা
হ বিশেষ পথ্যের দরকার নেই, তবে ফলের রস, বিশেষত কমলা লেবু বা পাতি লেবুর রস খেলে উপকার পাওয়া যায়।
হ গরম পানির ভাপ নেয়া। অনত্মত দিনে চার বার।
হ এক টুকরো মিছরি, লবঙ্গ বা আদা মুখে রাখা।
হ মধুর সঙ্গে তুলসী বা বাসক পাতার রস মিলিয়ে খাওয়া।
হ সর্দি-কাশির সঙ্গে গলা ব্যথা হলে এক গস্নাস গরম পানিতে এক চামচ লবণ দিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার গার্গল বা কুলকুচা করা।
হ সমপরিমাণ মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে ১০ মিনিট অনত্মর বড় চামচের এক চামচ খেলে গলা ব্যথায় আরাম পাওয়া যায়।
হ ৫ গ্রাম শুকনো হলুদ গুঁড়ো, ২৫০ মি.লি. দুধ এবং ২ চামচ চিনি ১০ থেকে ১২ মিনিট ফুটিয়ে সে দুধ খেলে সর্দি কমে যায়।
হ আদা ও তুলসী পাতা এক গস্নাস পানিতে ফুটিয়ে তাতে এক কাপ মধু মিশিয়ে দিনে ৪ থেকে ৫ বার খেলে উপকার পাওয়া যায়।
হ খানিকটা পানি ফুটিয়ে তার সঙ্গে একটি পাতি লেবুর রস আর অল্প চিনি বা লবণ মিশিয়ে গরম গরম খেলে আরাম পাওয়া যায়।
হ সর্দি-কাশি লেগে থাকলে ওল পোড়ার সঙ্গে নারকেল কোরা ও ৫ থেকে ৭ ফোঁটা ঘি মিশিয়ে খেলে সর্দির দোষটা কেটে যাবে।
উপরোক্ত টিপসগুলো মেনে চললে ঠা-া একেবারে সেরে যাবে, তবে অবস্থার যদি খুবই অবনতি ঘটে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ডা. রুপম
আপনি কি দাঁতের ব্যথায় অস্থির? হজমের গোলমাল? এরকম সমস্যা সমাধানে হাতের কাছে মসলা রাখুন।
রসুন : মিনারালসের মিনি স্টোর হাউস। ছোট্ট এক কোয়া রসুন অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিফাঙ্গাল, অ্যান্টিসেপটিক হিসাবে কাজ করে। রসুনের সালফার শরীরের নানা হরমোন নিঃসরণে সাহায্য করে। শুধু কাঁচা রসুনই নয়, রান্নায় ব্যবহৃত রসুনও শরীরের জন্য উপকারী। ম্যাঙ্গানিজ, কপার, জিঙ্ক, অ্যালুমিনিয়াম, ক্লোরিন, সেলেমিনিয়াম_ সবই আছে রসুনে।
খাদ্যগুণ : রসুনে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সেলেনিয়াম থাকে। কোষ ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করে। ট্রাইগি্লসারাইড আর্টারি পরিষ্কার রেখে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমায়। অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বলে রক্তকে জমাট বাঁধতে দেয় না। লিম্ফেটিক সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে রক্ত পরিষ্কার রাখে।
উপকারিতা : ক্যান্সার, হৃদরোগ প্রতিরোধে কিছুটা সাহায্য করে। উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। লিভারকে রক্ষা করে। ডায়াবেটিস কমায়। অ্যাকনের জন্য রসুন খুব উপকারী। অ্যান্টিবায়োটিক, অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে রসুন ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক সারিয়ে তোলে। ত্বকের পিএইচ লেভেলও বজায় রাখে। রসুনের তেল চুল পড়া বন্ধ করে।
অপকারিতা : কাঁচা রসুন অনেক সময়ই পেটের জন্য উপকারী নয়।
আদা
আদার ঝাঁজেই উপকারিতা। আদায় আছে প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, মিনারেল, ভিটামিন, পটাশিয়াম, ফসফরাস।
খাদ্যগুণ : আদায় ভিটামিন-সি থাকায় সর্দি-কাশি প্রতিরোধ করে। রাইবোফ্লেভিন পেট পরিষ্কার রাখে।
উপকারিতা : আদা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। সর্দি-কাশি কমায়। হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণ করে। ডায়াবেটিস কমায়। বাতের ব্যথা কমায়। হজমে সাহায্য করে।
অপকারিতা : জন্ডিস এবং আলসারে আদা খাওয়া উচিত নয়।
মাথা খাটিয়ে মাথা ব্যথা দূর...........
ঘাড়ের উপর মাথা থাকলে ব্যথাতো হতেই পারে। আর একটু আধটু ব্যথার জন্য নিজে নিজে ওষুধ খেয়ে ফেলাটাও কোন কাজের কথা না। আগে থেকে কিছুটা সতর্ক হলে মাথা ব্যথার মতো ঝামেলা এড়ানো যায় কিন্তু সহজেই।মাছের তেলে
মাছ খেতে হবে প্রতি বেলায়। পুষ্টির চাহিদা তো মিটবেই মাথা ব্যথা প্রতিরোধেও কার্যকর মাছ। মাছের তেলে থাকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এটিই মূলত মাথা ব্যথার বিরুদ্ধে কাজ করে। মাছের তেলের ক্যাপসুল পাওয়া যায় বাজারে। চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়ম করে খেতে পারেন ক্যাপসুলটি।
আপেলে
রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠেই যারা মাথা ব্যথায় ভোগেন তাদের সমাধান আপেলে। আপেলের বাইরের আস্তরন ফেলে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে হবে সকালে খালি পেটে। এভাবে চলবে টানা দুই সপ্তাহ।
আদা
আদার উপাদানগুলো থ্রম্বোক্সিনকে কাজে লাগিয়ে শরীরে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে। যেটা মাইগ্রেইনের ব্যথা প্রতিরোধে খুব কার্যকর। এ ছাড়া আদায় বমিভাব দূর হয়, দূর হয় মাথা ব্যথা।
বসার ভঙ্গিতে
দেহকে বাকিয়ে বা হেলে দীর্ঘক্ষণ বসলে স্নায়ুকোষ উদ্দীপ্ত হয়। এ থেকে তৈরি হতে পারে মাথা ব্যথার মতো অনাবশ্যক সব রোগ। তাই বসতে হবে সোজা হয়ে। দাঁড়াতে হবে আরও সোজা হয়ে।
সুত্র : প্রথম আলো
এই শীতে তুলসী পাতা..........
তুলসী সবুজ রঙের গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। তুলসীগাছের পাতা, বীজ, ডালপালা—সবকিছুই মানুষের উপকারে লাগে। এই শীতে সর্দি, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, জ্বরজ্বর ভাব দূর করার জন্য তুলসী পাতার রস ভীষণ উপকারী। তুলসী পাতা গরম পানিতে সেদ্ধ করে সেই পানিতে গড়গড়া করলে মুখ ও গলার রোগজীবাণু মরে, শ্লেষ্মা দূর হয়, মুখের দুর্গন্ধও চলে যায়। তুলসী পাতা কয়েক ফোঁটা মধু বা লেবুর রস মিশিয়ে চিবিয়ে খেলে ফুসফুস, কণ্ঠনালি, দাঁতের গোড়া, মাড়ি ভালো থাকে। তুলসী পাতার রস পেট ব্যথা, পেটের বা পাকস্থলীর রোগজীবাণুকে দূর করে, রক্ত পরিষ্কার করে এবং তারুণ্য ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ম্যালেরিয়া জ্বরে তুলসী পাতা খেলে জ্বর দ্রুত ভালো হয়। ত্বকের লাবণ্য রক্ষার্থে, অ্যাসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্ষুধামান্দ্য, বদহজম দূর করতে তুলসী পাতার ভূমিকা অপরিহার্য। তুলসী চা শারীরিক ও মানসিক অবসাদ দূর করে, মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়িয়ে দেয়। ফলে মানুষের কর্মক্ষমতা বেড়ে যায়, রোগ-প্রতিরোধশক্তি দ্বিগুণ হয়। উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল কমিয়ে হূৎপিণ্ডের রক্ত সরবরাহের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। লিভারের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। হাড়ের গাঁথুনিতে ব্যথা দূর করে এবং শরীরের কাটাছেঁড়া দ্রুত শুকাতে অবদান রাখে। তুলসীগাছের বীজও যথেষ্ট দরকারি। তুলসীর বীজ শুকিয়ে মিহি করে খেলে প্রস্রাবের ইনফেকশনজনিত সমস্যা ভালো হয়, জননতন্ত্রের অসুবিধা দূর হয়। পুরুষত্বহীনতা দূরীকরণে এই পাতার অবদান অপরিহার্য।এই ঠান্ডা মৌসুমে ছোট বাচ্চাদের তুলসী পাতা খাওয়ালে কৃমি দূর হবে এবং মাংসপেশি ও হাড় হবে শক্তিশালী। বহুবিধ ব্যবহারের জন্য তুলসী পাতাকে বলা হয় ‘কুইন অব হার্ব’ বা ওষধি গাছের রানি। এই ওষধি পাতা শুধু শীতকাল নয়, ১২ মাসই ব্যবহারের উপযোগী। তুলসীগাছের বাতাসও যথেষ্ট উপকারী। তাই সম্ভব হলে বাসার ব্যালকনিতে বা ফুলের টবে অন্তত একটি তুলসীগাছ লাগান।
অ্যালার্জি প্রতিরোধের প্রাকৃতিক উপায়
এ্যালার্জি শব্দটা যদিও আজ আর কারও কাছে নতুন কিছু নয়, তবুও এটা সম্পর্কে সার্বিক ধারণা থাকা সবার জন্য অতীব জরুরী। কেননা শ্বাসকষ্ট, একজিমাসহ বহু চর্মরোগের জন্য দায়ী এই এ্যালার্জি।
ধুলাবালি, ফুলের রেণু, নির্দিষ্ট কিছু খাবার ও ওষুধ মানুষের শরীরে প্রদাহজনিত যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে সাধারণভাবে তাকেই আমরা এ্যালার্জি বলে জানি। এ্যালার্জি শব্দটা অষষড়ং ও ঊৎমড়ং নামক দুটি গ্রিক শব্দের সমন্বয়ে তৈরি, সম্মিলিতভাবে যার অর্থ দাঁড়ায় পরিবর্তিত প্রতিক্রিয়া।
যা অ্যালার্জি তৈরি করে
মাইট (এমন কিছু যা পুরনো কাপড়ে জন্মায়), সিগারেটের ধোঁয়া হ কুকুর, বিড়ালের পশম, প্রস্রাব ও লালা হভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া, ফুলের রেণু। এছাড়া বিশেষ কোন খাবার, ঘরের ধুলাবালি, হরমোন ইনজেকশন, তুলা বা পাটের আঁশ, চুলের কলপ, রং, পোকা মাকড়ের হুল, স্যাঁতসেঁতে কার্পেট ইত্যাদি। তবে মনে রাখবেন এ সবে সকলেরই যে এ্যালার্জি হবে তা কিন্তু নয়। কিছু কিছু জিনিসে কারও কারও অ্যালার্জি হতে পারে।
অ্যালার্জিতে আক্রানত্ম অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ
শরীরের যে সকল অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সহজে এ্যালার্জিতে আক্রানত্ম হয় সেগুলোর নাম ও উপসর্গ নিম্নরূপ_
আক্রানত্ম অঙ্গউপসর্গনাকনাসারন্ধ্রের ঝিলিস্ন বা আবরণ ফুলে চোখচোখ লাল হওয়া এবং চুলকানোকোনকান বন্ধ হয়ে যাওয়া, ব্যথা করা, কানে কম শোনাত্বকপ্রদাহজনিত চুলকানি বা একজিমা, হাইভসফুসফুসশ্বাস প্রশ্বাস দ্রম্নত হওয়া, শোঁ শোঁ শব্দ করা
এ্যালার্জির ঝুঁকি ও কারণ
শরীরে এ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ার যে অস্বাভাবিক প্রবণতা তার প্রকৃত কারণ ব্যাখ্যা করতে বিজ্ঞানীরা নানা ধরনের ভিত্তির ওপর জোর দিয়ে থাকেন। যেমন_
বংশগত কারণ : দেখা যায় এ্যালার্জি আক্রানত্ম বাবা-মার সনত্মানেরাও এ্যালার্জিতে আক্রানত্ম হয় এবং তাদের এ্যালার্জিতে আক্রানত্ম হওয়ার প্রবণতা নন-এ্যালার্জিক বাবা-মার এ্যালার্জিক সনত্মান অপেৰা অনেক বেশি প্রকট। বাবা-মা কেউ এ্যালার্জিতে আক্রানত্ম না থাকলেও সনত্মানের মাঝে ১৫% আশঙ্কা থেকে যায়। বাবা-মা কেউ যদি এ্যালার্জিতে আক্রানত্ম থাকে তবে সনত্মানের ৩০% আশঙ্কা থাকে কিন্তু উভয়েই আক্রানত্ম থাকলে তা বেড়ে ৬০%-এর অধিক দাঁড়ায়।
পরিবেশগত কারণ : ঋতুজনিত কারণে (বিশেষ করে শীতকালে) বাতাসে যখন ফুলের রেণু বেশি থাকে তখন এ্যালার্জির প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। শিল্পোন্নত দেশগুলোতে বাতাস দূষণের পরিমাণ বেশি হওয়াতে সেখানে এ্যালার্জির প্রকোপও বেশি।
এ্যালার্জিজনিত সমস্যা ও তার উপসর্গ
এ্যালার্জিক রাইনিটিস : সাধারণভাবে যেটা হে ফিভার (যবু ভবাবৎ) নামে পরিচিত। এ ধরনের এ্যালার্জিতে রোগীর অসম্ভব রকম হাঁচি হয়। এ জন্য এর নাম এ্যালার্জিজনিত হাঁচি। বাতাসে অত্যধিক মাত্রায় ফুলের রেণু এর প্রধান কারণ। এ ছাড়াও ধূলিকণা, কুকুর ও বিড়ালের লোম, ছত্রাকের কারণেও এটা হতে পারে। নিশ্বাসের সঙ্গে এই জাতীয় জীবাণু যখন নাকের অভ্যনত্মরে প্রবেশ করে, প্রদাহজনিত কারণে অভ্যনত্মরীণ টিসু্যগুলো নানা ধরনের উপসর্গ প্রকাশ করে। নাক সংলগ্ন কান, সাইনাস এবং গলা ও এই কারণে আক্রানত্ম হয়।
উপসর্গ
(ক) নাক দিয়ে অনবরত পানি ঝরা, (খ) নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, (গ) নাক চুলকানো, (ঘ) অসম্ভব রকম হাঁচি, (ঙ) কান ও গলা চুলকানো, খুসখুস করা ইত্যাদি।
এ্যালার্জিক এ্যাজমা বা হাঁপানি : কষ্টদায়ক এই এ্যাজমার বিভিন্ন কারণের মধ্যে এ্যালার্জি অন্যতম। শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত এ সমস্যায় ফুসফুল ও এর অভ্যনত্মরভাগে প্রদাহের সৃষ্টি হয়। এই প্রদাহ ফুসফুসে বাতাস প্রবেশের পথকে সঙ্কীর্ণ করে। ফলে বাতাস ঢুকতে ও বেরম্নতে সমস্যার সৃষ্টি হয়।
ভিটামিন সি-এর উৎস : কাঁচা মরিচ, বাঁধাকপি, আলু, লেবু, বাতাবী লেবু, কমলা লেবু, টমেটো, আঙ্গুর, পেয়ারা, কামরাঙ্গাসহ বিভিন্ন টক জাতীয় ফলে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।
ভিটামিন এ এবং জিংক : এরা উভয়েই এ্যালার্জি উপশমে সহায়ক যা পাকস্থলীসহ অন্যান্য প্রদাহজনিত স্থানের প্রদাহ কমায়।
ভিটামিন এ-এর উৎস : বাঁধাকপি, ব্রকলি, লেটুস পাতা, পালংশাক, টমেটো, মরটশুঁটি, গাজর, কুমড়া, মিষ্টিআলু, ধনিয়াপাতা, পীচ, কলা, পেঁপে, তরমুজ, ভুট্টা ইত্যাদি।
জিঙ্কের উৎস : জিঙ্কের সবচেয়ে সমৃদ্ধ উৎস হলো ওয়স্টার মাশরম্নম যা এখন আমাদের দেশের সর্বত্রই পাওয়া যায়। অন্যান্য যে সব খাদ্যে জিঙ্ক বিদ্যমান সেগুলো হলো মিষ্টি কুমড়ার বীজ, শিম বীজ, বাদাম, সূর্যমুখীর বীজ ইত্যাদি। প্রাণিজ জিঙ্কের জন্য ভাল উৎস হলো মুরগির মাংস। এ ছাড়া শামুক, ঝিনুক ইত্যাদিতেও প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক পাওয়া যায়।
ক্যারোটিনয়েড : ক্যারোটিনয়েড হলো উদ্ভিদের মধ্যস্থিত রঞ্জক বা রঙিন পদার্থ। এ সবের মধ্যে ক্যারোটিন, বিটা ক্যারোটিন, লুটিন, লাইকোপেন, ক্রিপটোজেন্থিন এবং জিজেন্থিন আমাদের শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এগুলো এ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়ার বিপরীতে কাজ করে।
উৎস : সবুজ, হলুদ অর্থাৎ রঙিন শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিনয়েড পাওয়া যায়। যেমন গাজর, মিষ্টি কুমড়া, হলুদ, পালংশাক, ডাঁটা শাক ইত্যাদি।
ট্রিপটোফেন সমৃদ্ধ খাবার যা সেরোটোনিনে পরিবর্তিত হয় তা এড়িয়ে চলতে হবে। যেমন : গরম্নর মাংস, চিংড়ি মাছ ইত্যাদি।
অন্যান্য
ঋষি মাশরম্নম : এই মাশরম্নমের এ্যালার্জিক প্রতিক্রিয়া কমানোর এক অসাধারণ ৰমতা আছে। এটা হিস্টামিন তৈরিতে বাধা প্রদান করে ও প্রদাহ কমায়।
অননত্মমূল : এই গাছের পাতায় ও শিকড়ে টাইলোপিরিন নামে যে উপাদান থাকে তা এ্যালার্জিজনিত শ্বাসনালীর প্রদাহসহ এ্যাজমার প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে।
কুঁচিলা : এ্যালার্জি থেকে রৰা পাবার এক অনন্য নাম কুঁচিলা। এই গাছে স্টিকনিন, ব্রম্নসিনসহ নানা মূল্যবান উপাদান তৈরি হয়।
কোল্ড এ্যালার্জি থেকে রৰার উপায়
একটু শীতেই অনেকে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথায় ভোগেন, যা কোল্ড এ্যালার্জি নামে পরিচিত। এটা ঘাবড়াবার মতো তেমন কিছু নয় এবং কিছু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই এ থেকে রৰা পাওয়া সম্ভব। যেমন_
হ বেশি করে পানি পান করা
হ বিশেষ পথ্যের দরকার নেই, তবে ফলের রস, বিশেষত কমলা লেবু বা পাতি লেবুর রস খেলে উপকার পাওয়া যায়।
হ গরম পানির ভাপ নেয়া। অনত্মত দিনে চার বার।
হ এক টুকরো মিছরি, লবঙ্গ বা আদা মুখে রাখা।
হ মধুর সঙ্গে তুলসী বা বাসক পাতার রস মিলিয়ে খাওয়া।
হ সর্দি-কাশির সঙ্গে গলা ব্যথা হলে এক গস্নাস গরম পানিতে এক চামচ লবণ দিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার গার্গল বা কুলকুচা করা।
হ সমপরিমাণ মধু আর লেবুর রস মিশিয়ে ১০ মিনিট অনত্মর বড় চামচের এক চামচ খেলে গলা ব্যথায় আরাম পাওয়া যায়।
হ ৫ গ্রাম শুকনো হলুদ গুঁড়ো, ২৫০ মি.লি. দুধ এবং ২ চামচ চিনি ১০ থেকে ১২ মিনিট ফুটিয়ে সে দুধ খেলে সর্দি কমে যায়।
হ আদা ও তুলসী পাতা এক গস্নাস পানিতে ফুটিয়ে তাতে এক কাপ মধু মিশিয়ে দিনে ৪ থেকে ৫ বার খেলে উপকার পাওয়া যায়।
হ খানিকটা পানি ফুটিয়ে তার সঙ্গে একটি পাতি লেবুর রস আর অল্প চিনি বা লবণ মিশিয়ে গরম গরম খেলে আরাম পাওয়া যায়।
হ সর্দি-কাশি লেগে থাকলে ওল পোড়ার সঙ্গে নারকেল কোরা ও ৫ থেকে ৭ ফোঁটা ঘি মিশিয়ে খেলে সর্দির দোষটা কেটে যাবে।
উপরোক্ত টিপসগুলো মেনে চললে ঠা-া একেবারে সেরে যাবে, তবে অবস্থার যদি খুবই অবনতি ঘটে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ডা. রুপম